মূল বিষয়বস্তুতে যানThe Generation Today
 
The Generation Today
সর্বশেষসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সম্পাদকীয়শিক্ষা বোর্ডফুটবলব্যাংক-বিমাপ্রাথমিক ও মাধ্যমিকরাজধানীদরকারি তথ্যসারা দেশবেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়অর্থনীতি প্রবাসী ক্রিকেটপাকিস্তানঅর্থনীতিমতামতবাংলাদেশএআইআবেদন শুরু ও শেষজেলাকলেজআন্দোলনমাউশিবিজ্ঞপ্তিইউজিসিআন্তর্জাতিকপ্রস্তুতি ও পরামর্শ
সর্বশেষ
সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
সম্পাদকীয়
The Generation Today

মেনু

সর্বশেষ
সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
সম্পাদকীয়
শিক্ষা বোর্ড
ফুটবল
ব্যাংক-বিমা
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক
রাজধানী
দরকারি তথ্য
সারা দেশ
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
অর্থনীতি
প্রবাসী
ক্রিকেট
পাকিস্তান
অর্থনীতি
মতামত
বাংলাদেশ
এআই
আবেদন শুরু ও শেষ
জেলা
কলেজ
আন্দোলন
মাউশি
বিজ্ঞপ্তি
ইউজিসি
আন্তর্জাতিক
প্রস্তুতি ও পরামর্শ
রাজনীতি

অধ্যাপক না হয়েও নামের আগে ‘অধ্যাপক’ লেখার অভিযোগ বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে

ড

ডেস্ক রিপোর্ট

•2 min read•thedailycampus
প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০০:১০

অধ্যাপক না হয়েও নামের আগে ‘অধ্যাপক’ লেখার অভিযোগ বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে
অধ্যাপক না হয়েও নামের আগে ‘অধ্যাপক’ লেখার অভিযোগ বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে|ছবি: অধ্যাপক না হয়েও নামের আগে ‘অধ্যাপক’ লেখার অভিযোগ বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে

কলেজের সাবেক প্রভাষক হয়েও প্রচারপত্রে নামের আগে ‘অধ্যাপক’ ও শেষে ‘ভিপি’ পরিচয় ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে ফেনী-২ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী জয়নাল আবেদীনের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ফেনী জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা হকের কাছে লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন এক ভোটার। গতকাল সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এই অভিযোগ দায়ের করা হয়।

অভিযোগপত্রে আজিমুল ইসলাম নামের ওই ভোটার লিখেছেন, ফেনী-২ সংসদীয় আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ‘জয়নাল আবেদীন’ নামে পরিচিত হলেও তাহার নির্বাচনী ব্যনার, হ্যান্ডবিল, বিলবোর্ড, ফেস্টুনে নামের পূর্বে ‘অধ্যাপক’ শব্দ এবং নামের পরে ‘ভিপি’ শব্দ ব্যবহার করে ভোটারদের বিভ্রান্ত ও প্রভাবিত করে আসছেন। প্রকৃতপক্ষে জয়নাল আবেদীন কোনো কলেজে অধ্যাপনা করেননি এবং তিনি অধ্যাপক পদে প্রমোশন পাননি।

জানতে চাইলে আজিমুল ইসলাম দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ধানের শীষের প্রার্থী জয়নাল আবেদীন একটি কলেজে প্রভাষক হিসেবে কিছুদিন শিক্ষকতা করেছিলেন। কিন্তু অধ্যাপক হওয়ার জন্য যে পদোন্নতি পেতে হয়, সেটি তিনি পাননি, অতদিন চাকরিও করেননি। এজন্য আমরা অভিযোগ দিয়েছি। আমরা যাচাই-বাছাই ছাড়া অভিযোগ দিইনি।

WhatsApp Image 2026-02-10 at 10-27-33 PM

রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দেওয়া অভিযোগপত্র

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জমা দেওয়া হলফনামায় বিএনপির এই প্রার্থী নিজের আয়ের উৎস হিসেবে গৃহ সম্পত্তি ও কৃষি আয়ের কথা উল্লেখ করেছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শিক্ষাজীবনে ফেনী সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হয়েছিলেন জয়নাল আবেদীন। পরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ সম্পন্ন করেন। পড়াশোনা শেষে ব্যবসায় মনোনিবেশ করলেও মাঝে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি কলেজে শিক্ষকতায় যোগ দেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে পড়েন ফেনী-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী জয়নাল আবেদীন। তিনি দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘আমার অধ্যাপনার প্রমাণ আছে। আমি সোনাইমুড়ি কলেজের প্রফেসর। আমার কাছে ডকুমেন্টগুলো আছে। আর বিপুল ভোটে ফেনী কলেজের ভিপি নির্বাচিত হয়েছিলাম। যে এই অভিযোগ দিয়েছে, সে যদি ডকুমেন্ট দেখাতে না পারে, আমি তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করে দিব হাইকোর্টে। ওই কুত্তার বাচ্চারে ঢুকাইয়ালামু।’

এ বিষয়ে কথা বলতে ফেনী জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা হক এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রোমেন শর্মার মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তারা রিসিভ করেননি।

ট্যাগ:অধ্যাপক পদে প্রমোশন পাননিপ্রফেসর আমারফেনী আসনের বিএনপিরফেনী জেলা প্রশাসকজেলা প্রশাসক রিটার্নিংপ্রশাসক রিটার্নিং কর্মকর্তারিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরাপ্রার্থী জয়নাল
Source: thedailycampus

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!