নির্বাচনে ভুয়া তথ্য ঠেকাতে সহায়তার আশ্বাস ফলকার টুর্কের

ডেস্ক রিপোর্ট

2 min read
প্রকাশ:

ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক
ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক|ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে অপপ্রচার ও ভুয়া তথ্য ঠেকাতে বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর।

মঙ্গলবার ((১৩ জানুয়ারি) জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্কের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ফোনালাপে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ফোনালাপে ড. ইউনূস বলেন, ‘নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভুয়া তথ্যের সয়লাব হয়েছে। দেশি ও বিদেশি উভয় গণমাধ্যম থেকেই অপপ্রচার হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা খবর ও গুজব ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা নির্বাচনের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে বলে আমরা উদ্বিগ্ন।’

জবাবে ফলকার টুর্ক বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত এবং ক্রমবর্ধমান ভুয়া তথ্যের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত।’ তিনি আরও বলেন, ‘যা প্রয়োজন, আমরা তাই করব।’

এ সময় তাঁরা আসন্ন গণভোট, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের গুরুত্ব, গুম-সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের কার্যক্রম, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (এনএইচআরসি) গঠন এবং বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন।

গুম-সংক্রান্ত বিষয়গুলোর কাজ এগিয়ে নিতে স্বাধীন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন ফলকার টুর্ক । জবাবে প্রধান উপদেষ্টা জানান, ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ’ ইতোমধ্যে জারি করা হয়েছে এবং নির্বাচনের আগেই নতুন কমিশন পুনর্গঠন করা হবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা দায়িত্ব ছাড়ার আগেই এটি সম্পন্ন করব।’ গত দেড় বছরে প্রধান উপদেষ্টার নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন ফলকার টুর্ক। তিনি বলেন, ‘তার দপ্তর গুম-সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের কাজকে সহায়তা করেছে এবং ভবিষ্যতেও এ সহায়তা অব্যাহত থাকবে।’

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!